এমডি রেজওয়ান আলী বুরো প্রধান:
জনগণের প্রত্যাশা,উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে দিনাজপুর-৬ (নবাবগঞ্জ-বিরামপুর-হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট) আসনের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মতিহারা গ্রামে অবস্থিত নিজ বাড়িতে এ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবং সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। সভায় অংশগ্রহণ করেন আসনের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের রাজনৈতিক,সামাজিক এবং পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তারা এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা,স্বাস্থ্য,কৃষি,যোগাযোগ ব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি,নারীর ক্ষমতায়ন এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি জনগণের প্রত্যাশা ও স্থানীয় সমস্যাগুলো সরাসরি মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন নেতারা। এ সময় মাননীয় মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, “জনগণের ভোট ও আস্থার প্রতিদান দিতে হলে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা সম্পর্কে জানতে হবে। জনগণের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন,সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেন প্রকৃত উপকার ভোগীদের কাছে পৌঁছে যায়,সে বিষয়ে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে সমাজকল্যাণ,নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ এলাকার চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বলেন,মন্ত্রীর সরাসরি দিক নির্দেশনা ও নিয়মিত যোগাযোগের কারণে সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। তারা ভবিষ্যতেও জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আলোচনা সভায় স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন দাবি দাওয়া, অবকাঠামোগত উন্নয়ন,কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ এবং নারী-শিশু কল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন,এ ধরনের মতবিনিময় সভা স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমন্বয় বৃদ্ধি করবে এবং জনগণের সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো সরাসরি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে জনগণের সেবায় নিবেদিত জন প্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দের দায়িত্বশীলতা এবং জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবেও এআয়োজন বিবেচিত হবে। সভা শেষে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন,জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের সম্প্রসারণ এবং জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। উপস্থিত নেতৃবৃন্দও জনগণের সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।।