সংবাদ শিরোনাম:
দোয়ারাবাজারে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ১৫ আগস্ট উপলক্ষে বিরামপুরে বিএনপির দোয়া ও আলোচনা সভার প্রস্তুতি সেলাই মেশিনে বদলে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের আদিবাসী নারী সিমা মিনজির জীবন মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ফেন্সিডিলসহ যুবক আটক বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ফুলবাড়ীতে জমি দখলের অভিযোগ, দায়ের করা মামলা এবং ইমরান চৌধুরী নিশাদ গংয়ের মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদ পৌর চেয়ারম্যান থেকে বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আদিবাসী পরিচয় নিয়ে বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ৮০ হাঁস থেকে ৭৫০ হাঁস পালনে ভাগ্য বদল হামিদ মিয়ার
৮০ হাঁস থেকে ৭৫০ হাঁস পালনে ভাগ্য বদল হামিদ মিয়ার

৮০ হাঁস থেকে ৭৫০ হাঁস পালনে ভাগ্য বদল হামিদ মিয়ার

এমডি রেজওয়ান আলী বুরো প্রধান:
মাত্র ৮০টি হাঁস দিয়ে শুরু করেছিলেন। সেই ছোট উদ্যোগই ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছে বড় খামারে। প্রায় দুই দশকের পরিশ্রম,ধৈর্য ও অভিজ্ঞতায় এখন তার খামারে হাঁসের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৫০টি। হাঁস পালন করে পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে এনেছেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সিংড়া ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের বাসিন্দা হামিদ মিয়া। স্থানীয়ভাবে জানা যায়,দীর্ঘদিন আগে অল্প পুঁজি নিয়ে হাঁস পালন শুরু করেন হামিদ মিয়া। শুরুতে মাত্র ৮০টি হাঁস ছিল তার খামারে। সীমিত পরিসরে শুরু করা সেই উদ্যোগকে ধীরে ধীরে সম্প্রসারণ করেন তিনি। হাঁস পালন,পরিচর্যা, খাবার ব্যবস্থাপনা ও রোগবালাই প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি নিয়মিত পরিশ্রম করে খামারটিকে বড় আকারে গড়ে তোলেন। বর্তমানে তার খামারে প্রায় ৭৫০টি হাঁস রয়েছে। হাঁসের ডিম ও হাঁস বিক্রি করে আয় করছেন তিনি। সংসারের বিভিন্ন খরচ মেটানোর পাশাপাশি এই খামার থেকে পাওয়া আয় পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
হামিদ মিয়া জানান,শুরুতে হাঁস পালনকে খুব ছোট একটি উদ্যোগ হিসেবে নিয়েছিলেন। কিন্তু ধীরে ধীরে এর সম্ভাবনা বুঝতে পারেন। নানা প্রতিকূলতা ও ঝুঁকি মোকাবিলা করে তিনি খামার চালিয়ে যাচ্ছেন। তার মতে,পরিকল্পিত ভাবে হাঁস পালন করা গেলে গ্রামাঞ্চলের মানুষের জন্য এটি হতে পারে আয়ের ভালো একটি উৎস।
তিনি বলেন,হাঁস পালনে পরিশ্রম যেমন আছে,তেমনি রয়েছে সম্ভাবনাও।নিজের জায়গা ও শ্রম কাজে লাগিয়ে অল্প পরিসর থেকেও শুরু করা সম্ভব। তবে হাঁসের খাবার,রোগবালাই ও বাজার ব্যবস্থাপনার দিকে বিশেষ নজর দিতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,হামিদ মিয়ার হাঁসের খামারটি এলাকার অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছে। বেকার যুবক ও স্বল্প আয়ের মানুষ পরিকল্পিতভাবে হাঁস পালন শুরু করলে নিজেদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পরিবারের আয়ও বাড়াতে পারেন। কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে হাঁস পালন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বাড়ির আশপাশের জলাশয় ও খোলা জায়গাকে কাজে লাগিয়ে স্বল্প পুঁজিতে হাঁস পালন শুরু করা সম্ভব। সঠিক পরিচর্যা ও বাজার ব্যবস্থাপনা থাকলে এ খাত থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
প্রায় দুই দশকের পরিশ্রমে ৮০টি হাঁস থেকে ৭৫০টির খামার গড়ে তোলা হামিদ মিয়ার গল্প তাই শুধু একজন খামারির সাফল্যের গল্প নয়; এটি গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাবলম্বী হওয়ার একটি সম্ভাবনাময় দৃষ্টান্ত।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com