
লেখক: শান্ত পাহান (ঠাকুরগাঁও)
আমার প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক টেলিভিশনে এবং পত্র পত্রিকা দেখি মরণব্যাধি ক্যানসার হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে যাওয়ার খবর। কিন্তু আমরা তা দেখে অনেকেই আবার এই মানুষের গুলার পাশে দাড়িয়ে সহযোগিতা করি কেউ আবার করি না এইটা হলো আমাদের এই সমাজের মানুষের স্বভাব। কিন্তু আপনারা কেউ কি ভেবে দেখেছেন এই মরণব্যাধি ক্যান্সারটা আপনার প্রিয়জন বা পরিবারের কারো হতে তাহলে আপনারা কেমন লাগতো আপনার উওরটা হবে না। কারণটা হলো আপনজনের প্রতি একটু মায়া মমতা হবে হবে। কিন্তু পর মানুষের প্রতি না। আপনি কি জানেন, আপনার দেওয়া কিছুটা সাহায্যের টাকা দিয়ে বাঁচতে পারে একটি পরিবার। আপনি হইতো আজকে সকালে মনে মনে চিন্তা করে নিয়েছেন যে কোথাও ঘুরতে যাবেন কিংবা বন্ধু বান্ধদের সাথে আড্ডা করবেন। সেখানে কিন্তু আপনার ২০০-৫০০-১০০০টাকা খরচ হতে পারে এর বেশি হতে পারে। মনে করে আপনি একদিন আপনার ঘুরতে যাওয়া টাকার কিছুটা যদি কারো উপকার করেন। তাহলে তো এটা খারাপ না। আপনার সেই টাকায় একটি ফুলের মতো সংসার আবারো নতুন বাঁচতে পারবে। আজকে আমি লিখতেছি DBC News এর একটি ভিডিও প্রতিবেদনটির অর্থাভাবে নিভে যাচ্ছে মেধাবী শিক্ষার্থী মরিয়মের জীবন প্রদীপ। এই মরিয়ম বাসা হলো খুলনায়। অসহায় দিনমজুর মা বাবার মেয়ে হলেন মরিয়ম। তার বাসা অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। তার মা গৃহিণী। বাসায় থাকে কোন কাজকর্ম করে না। একাই তার বাবার মানুষের কাছে ধার দেনা করেন চিকিৎসার জন্য ৪ লক্ষ টাকা। এই দিনজুর বাবা তার চিকিৎসা করতা একাই হিমসিম খাচ্ছে। তারা ছাড়া মরিয়ম ভাড়াটে বাড়িতে থাকেন। একাই উনার বাবার পক্ষে মরিয়ম চিকিৎসা করানো খুব বড় কঠিন ব্যাপার এবং কষ্টদায়ক হয়ে গেছে। এই মরিয়ম হলো ৯ম শ্রেনির একজন মেধাবী
শিক্ষার্থী। ক্যান্সার আক্রান্ত মরিয়ম জীবন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে যাচ্ছে। মরিয়ম অর্থভাবে পেটে ৮০০ গ্রামেরও বেশি ওজনের টিউমার রয়েছে। এই টিউমার চিকিৎসা করতে প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা লাগবে। যা তার পরিবারের পক্ষে থেকে এত গুলা টাকা যোগাড় করা সম্ভব না। মরিয়ম অশ্রুজ্বলে কেঁদে কেঁদে বলেন আমি বাঁচতে চাই। আপনারা কেউ যদি আমার এই বিপদে পাশে দাড়িয়ে সহযোগিতার হাতটা বাড়িয়ে দেন। তাহলে আমি আবার আমার নতুন জীবনের আশার আলো দেখতে পারবো। আমাকে যদি সরকারিভাবে চিকিৎসা খরচ দিয়ে আমাকে উন্নত চিকিৎসা জন্য ভারতে পাঠানো হয় তাহলে আমি এই মরণব্যাধি ক্যানসারের হাত থেকে বাঁচতে পারবো। তাই আমি আমাদের দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্যারের কাছে বিনত অনুরোধ করতেছি আমার ভারতে চিকিৎসা করার ব্যবস্থা করে দেন। তাহলে আমার পরিবারটি তাদের এই মরিয়মকে আবার ফিরে পেতে পারে। না হলে এই অর্থের অভাবে চিকিৎসা না করতে পারলে হারিয়ে ফেলবো। আপনারা আমাকে যা পারেন আমাকে এই মরণব্যাধি ক্যানসারের হাত থেকে বাঁচতে সাহায্য করেন। মেয়ের এই অশ্রু জল কান্না করে দেখে তার মরিয়ম মা জননী বলেন, সরকারের পাশাপাশি এই সামাজের দয়াবান মানুষ এবং সামাজিক স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন এবং কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষার্থী এনজিও প্রতিনিধিরা আপনারা আমাদের এই বিপদের দিনে পাশে দাড়িয়ে সহযোগিতা করেন। আপনাদের সাহায্য করা টাকা দিয়ে আমি আমার মেয়েকে চিকিৎসা করে ভালো করতে পারবো।
মরিয়ম চিকিৎসার জন্য
নবম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী মরিয়ম ইসলাম মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। অর্থাভাবে তার উন্নত চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। তার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিতে মরিয়মের পরিবারের সাথে যোগাযোগের নম্বর: 01994991393নম্বরে যোগাযোগ করে সাহায্য করা যেতে পারে।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Leave a Reply