সংবাদ শিরোনাম:
নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি’ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিরামপুরে জনসচেতনতা অভিযান ছয় মাসের সন্তানকে পাশে রেখে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্নে আদিবাসী কিশোরী দুলালী পাহান দেশ পুনর্গঠনে সময় প্রয়োজন: ডাক্তার জাহিদ হোসেন বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঔষধ রেখেই মেয়াদ উত্তীর্ণ করার পর গোপনে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে! জানেনা কেউ! ঔষধ বঞ্চিত হচ্ছে দরিদ্র মানুষ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ২৯ অক্টোবর নিখোঁজের চার দিন পর টয়লেটের ট্যাংকিতে রাজমিস্ত্রির অর্ধগলিত মরদেহ বাংলা হিলি (হাকিমপুর) এ সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত রাস্তা নির্মাণে নিম্ন মানের কাজ, দেখার কেউ নেই বড়পুকুরিয়া বাইপাস সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে সারাদেশে কারাম পূজা: আদিবাসী ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি’ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিরামপুরে জনসচেতনতা অভিযান

নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি’ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিরামপুরে জনসচেতনতা অভিযান

এমডি রেজওয়ান আলী,বুরো প্রধান: নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি,সবাই মিলে সুস্থ থাকি’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ডেঙ্গু প্রতিরোধে দিনাজপুরের বিরামপুরে সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভিডিও কনফারেন্স,সচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি,বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষসহ স্থানীয়রা অংশ নেন। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম ও করণীয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়। পরে সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জনসাধারণকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানায়।
র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিভিন্ন বার্তা সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। ‘নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি’, ‘জমে থাকা পানি অপসারণ করি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাই সচেতন হই’সহ নানা স্লোগানে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়। র‍্যালি শেষে বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। বাড়িঘর,শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আশপাশ,ড্রেন,নালা, পরিত্যক্ত পাত্র,টব,নির্মাণাধীন স্থাপনা ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পরিত্যক্ত সামগ্রী সরিয়ে ফেলার আহ্বান জানানো হয়,যাতে সেখানে এডিস মশার প্রজননের সুযোগ সৃষ্টি না হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান,ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়;এর সঙ্গে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরি। বিশেষ করে বাসাবাড়ি ও আশপাশের এলাকায় কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে। কারণ এডিস মশা সাধারণত পরিষ্কার ও জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই নিয়মিত বাড়ির আঙিনা,ছাদ,বারান্দা,ড্রেন, ফুলের টব,পরিত্যক্ত টায়ার, বোতল, কৌটা ও অন্যান্য পানির পাত্র পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন,ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং মানুষকে সচেতন করা। দিনের বেলায় এডিস মশা বেশি সক্রিয় থাকায় মশার কামড় থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
তারা আরও বলেন,কোনো এলাকায় পানি জমে থাকলে শুধু স্থানীয় প্রশাসনের দিকে তাকিয়ে না থেকে সংশ্লিষ্ট বাড়ি,প্রতিষ্ঠান ও এলাকার বাসিন্দাদের নিজেদের উদ্যোগে তা অপসারণ করতে হবে। পাশাপাশি ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,ডেঙ্গু প্রতিরোধে এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে শহর ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতা মূলক প্রচারণা চালানো হলে মশার প্রজননস্থল কমিয়ে আনা সম্ভব।
এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত নজরদারি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাদের মতে,শুধু কর্মসূচি পালন করলেই হবে না; কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ব্যক্তি,পরিবার,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সচেতন মহলের প্রত্যাশা, ‘নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি,সবাই মিলে সুস্থ থাকি’
এই বার্তাটি শুধু একটি দিনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিটি নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনের অভ্যাসে পরিণত হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর বিরামপুর গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা। নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি,সবাই মিলে সুস্থ থাকি’
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিরামপুরে সচেতনতা কর্মসূচি

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com