
লেখক: শান্ত পাহান (ঠাকুরগাঁও)
বাংলাদেশ বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, ভাষা, ধর্ম ও ঐতিহ্যের দেশ। বাঙালি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করে আসছে সাঁওতাল, ওঁরাও, মুন্ডা, পাহান, মাহাতো, মাহালি, বড়াইক, কুর্মি, ভূমিজ, মালোসহ বিভিন্ন আদিবাসী জাতিসত্তা। প্রত্যেক জনগোষ্ঠীর রয়েছে নিজস্ব ভাষা, পোশাক, জীবনধারা, ধর্মীয় বিশ্বাস, নৃত্য, সংগীত ও উৎসব।
এসব বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যের মধ্যে কারাম পূজা বা কারাম পরব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব। সমতলের বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কাছে কারাম শুধু একটি পূজা নয়—এটি প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা, কৃষিজীবনের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক, পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য, সামাজিক সম্প্রীতি এবং নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়কে ধারণ ও প্রজন্মের পর প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
কারাম পূজার মূল চেতনা
কারাম পূজার প্রধান প্রতীক কারাম গাছের ডাল। বিভিন্ন অঞ্চলে নিজস্ব রীতি অনুযায়ী কারাম গাছের ডাল সংগ্রহ করে পূজাস্থলে স্থাপন করা হয়। কোথাও কোথাও এই উৎসব ‘করম পরব’, ‘ডাল পূজা’ বা ‘বৃক্ষ পূজা’ হিসেবেও পরিচিত।
ভাদ্র মাসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় কারাম উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। তবে জাতিসত্তা ও স্থানীয় সংস্কৃতি অনুযায়ী তিথি, আচার ও আনুষ্ঠানিকতায় কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়। পূজার আগে অনেকেই উপবাস পালন করেন। এরপর নির্দিষ্ট আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কারাম ডাল স্থাপন করে পূজা ও প্রার্থনা করা হয়।
ভালো ফসল, পরিবার ও সমাজের মঙ্গল, অভাব-অনটন থেকে মুক্তি এবং সুখ-সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করা হয়। একই সঙ্গে এই উৎসব মানুষকে প্রকৃতির সঙ্গে তার গভীর সম্পর্কের কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়।
নওগাঁয় কারাম পূজার ঐতিহ্য
উত্তরাঞ্চলের সমতলভূমিতে কারাম পূজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নওগাঁ। জেলার বিভিন্ন আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় বংশপরম্পরায় এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে। মহাদেবপুর, পত্নীতলা, পোরশা, বদলগাছীসহ বিভিন্ন এলাকায় কারাম উৎসবকে ঘিরে ব্যাপক আয়োজন দেখা যায়।
নওগাঁর কারাম উৎসব এখন শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি অনেক জায়গায় পরিণত হয়েছে বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। বিভিন্ন জেলা থেকে সাংস্কৃতিক দল অংশ নেয়। মাদলের তালে নাচ-গান, লোকজ পরিবেশনা, কিচ্ছা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে মুখর হয়ে ওঠে আদিবাসী পল্লিগুলো।
১৯৯৬ সাল থেকে কারাম পূজাকে কেন্দ্র করে নওগাঁসহ সমতলের বিভিন্ন এলাকায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আদিবাসী সম্মেলনের আয়োজন হয়ে আসছে। ফলে এই উৎসব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মুন্ডা সম্প্রদায়ের কারাম পূজা
ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলাতেও কারাম পূজার রয়েছে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। উপজেলার বিভিন্ন আদিবাসী পল্লিতে বসবাসকারী মুন্ডা সম্প্রদায়ের মানুষ নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক রীতি অনুযায়ী প্রতিবছর কারাম পূজা উদযাপন করে থাকেন।
রাণীশংকৈল উপজেলার পশ্চিম ঘনশ্যামপুর, পূর্ব ভোলাপাড়া, পূর্ব ঘনশ্যামপুর, বাকসা সুন্দরপুর, সিদলী ও ভাংবাড়ী পাড়া—এসব আদিবাসী পল্লিতে কারাম পূজাকে ঘিরে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
পূজাকে কেন্দ্র করে এসব গ্রামের মুন্ডা সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী, শিশু-কিশোর ও প্রবীণরা অংশ নেন। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি চলে ঐতিহ্যবাহী নাচ-গান, মাদল বাজনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। কারাম গাছের ডালকে কেন্দ্র করে পূজা ও প্রার্থনার মাধ্যমে পরিবার, সমাজ ও মানুষের মঙ্গল কামনা করা হয়।
এসব পল্লির মানুষের কাছে কারাম উৎসব শুধু ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয় নয়; এটি সামাজিক মিলন, পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক পরিচয় প্রকাশের অন্যতম প্রধান উপলক্ষ। বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে কারাম পূজাকে কেন্দ্র করে গ্রামগুলোতে তৈরি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নতুন প্রজন্মও এই উৎসবে অংশ নেয়। তারা প্রবীণদের কাছ থেকে নিজেদের ঐতিহ্য, বিশ্বাস, নাচ-গান ও লোককাহিনি সম্পর্কে জানার সুযোগ পায়। আধুনিকতার প্রভাবে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এলেও কারাম পূজার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন মুন্ডা সম্প্রদায়ের তরুণ প্রজন্মকে নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
দিনাজপুর, রংপুর ও পঞ্চগড়ে কারাম উৎসব
উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর ও পঞ্চগড়েও বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে কারাম উৎসব পালনের প্রচলন রয়েছে। স্থানীয় রীতি অনুযায়ী কারাম ডাল সংগ্রহ, পূজা, উপবাস, কিচ্ছা, নাচ-গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মাদলের তালে দলবদ্ধ নৃত্য এবং ঐতিহ্যবাহী গান উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। বিভিন্ন বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে কারাম উৎসব হয়ে ওঠে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম।
রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও জয়পুরহাট
রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন এলাকাতেও কারাম পূজা গুরুত্বপূর্ণ একটি আদিবাসী উৎসব। রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও জয়পুরহাটের বিভিন্ন আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় সাঁওতাল, ওঁরাও, পাহান, মাহাতো, মুন্ডাসহ বিভিন্ন জাতিসত্তার মানুষ নিজস্ব রীতি অনুযায়ী কারাম উৎসব পালন করেন।
উৎসবকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক দলগুলোর নাচ-গান, মাদল বাজনা ও ঐতিহ্যবাহী লোককাহিনি পরিবেশন করা হয়। বড় আয়োজনগুলোতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষও অংশ নেন। ফলে কারাম উৎসব শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্প্রীতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হয়ে ওঠে।
খুলনা বিভাগেও কারাম পূজার প্রচলন
কারাম পূজার বিস্তৃত ঐতিহ্যের মধ্যে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকাকেও উল্লেখ করা যায়। এ অঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যেও কারাম বা করম উৎসব পালনের ঐতিহ্য রয়েছে।
অঞ্চলভেদে উৎসবের আয়োজন ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে পার্থক্য থাকলেও প্রকৃতি, কৃষি, পরিবার ও সামাজিক মঙ্গলের বিষয়গুলো কারাম উৎসবের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। নাচ-গান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় এই ঐতিহ্য উদযাপিত হয়।
সিলেট বিভাগের চা-বাগানেও কারাম উৎসব
সিলেট বিভাগের কারাম পূজার চিত্রও বেশ বৈচিত্র্যময়। বিশেষ করে মৌলভীবাজার, সিলেট ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন চা-বাগান এলাকায় বসবাসকারী বিভিন্ন আদিবাসী ও শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর মধ্যে করম বা কারাম পূজা পালনের ঐতিহ্য রয়েছে।
চা-বাগান অধ্যুষিত এসব এলাকায় কারাম উৎসব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনের উপলক্ষ হয়ে ওঠে। নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ নাচ-গান ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশ নেন। কোথাও কোথাও ভাইদের মঙ্গল ও দীর্ঘায়ু কামনার সঙ্গেও এই উৎসবের সম্পর্ক রয়েছে।
ফলে সিলেট অঞ্চলের কারাম উৎসব মূল বিশ্বাসে অন্যান্য এলাকার সঙ্গে মিল থাকলেও স্থানীয় জীবনধারা ও চা-বাগান সংস্কৃতির কারণে এতে তৈরি হয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য।
ধর্মা-কর্মার লোককথা
কারাম পূজার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ধর্মা ও কর্মা নামে দুই ভাইয়ের প্রচলিত লোককাহিনি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রবীণরা এই কাহিনি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরেন।
কারাম পূজার সময় কিচ্ছা বা লোককাহিনির মাধ্যমে ধর্মা-কর্মার গল্প বলা হয়। এতে ভালো কাজের গুরুত্ব, পারিবারিক দায়িত্ব, সামাজিক মূল্যবোধ এবং মানুষের কর্মের ফল সম্পর্কে নানা শিক্ষা তুলে ধরা হয়।
এই কাহিনি শুধু ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ নয়; এটি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মৌখিক সাহিত্য, লোকজ জ্ঞান ও সংস্কৃতিরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
নাচ-গানে মুখরিত হয় আদিবাসী পল্লি
কারাম পূজার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ঐতিহ্যবাহী নাচ ও গান। নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী, শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রবীণরাও এতে অংশগ্রহণ করেন।
মাদল, ঢোলসহ বিভিন্ন দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের তালে দলবদ্ধ নৃত্য ও গান পরিবেশন করা হয়। পূজাকে ঘিরে বাড়িঘর পরিষ্কার করা, পূজাস্থল সাজানো এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের মধ্য দিয়েই শুরু হয় উৎসবের প্রস্তুতি।
এই নাচ-গান শুধু আনন্দের বিষয় নয়। এর মধ্য দিয়ে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে যায় একটি জনগোষ্ঠীর ইতিহাস, জীবনধারা, বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক স্মৃতি।
কৃষি, প্রকৃতি ও মানুষের মঙ্গল
আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার সঙ্গে কৃষি ও প্রকৃতির সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। তাই কারাম উৎসবের সঙ্গেও কৃষি ও ফসলের সম্পর্ক রয়েছে।
ভালো ফসল, পরিবারের সুখ-শান্তি, সমাজের সমৃদ্ধি এবং অভাব-অনটন দূর হওয়ার প্রত্যাশায় কারাম পূজায় প্রার্থনা করা হয়। মাটি, পানি, গাছপালা ও প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশের মধ্য দিয়ে এই উৎসব মানুষ ও প্রকৃতির নিবিড় সম্পর্ককে সামনে নিয়ে আসে।
নতুন প্রজন্মের কাছে ঐতিহ্য পৌঁছে দেওয়া জরুরি
আধুনিকতার দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে অনেক লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অনেক ভাষা, লোকগান, নৃত্য, লোককাহিনি ও প্রাচীন রীতিনীতিও সংরক্ষণের দাবি রাখে।
কারাম পূজা নতুন প্রজন্মকে তাদের শিকড়ের সঙ্গে পরিচিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তরুণ প্রজন্ম যদি নিজেদের উৎসব, ভাষা, গান, নৃত্য ও লোককাহিনি চর্চা করে, তাহলে এই ঐতিহ্য আরও শক্তিশালীভাবে টিকে থাকবে।
কারাম গাছের ডালকে ঘিরে প্রার্থনা, মাদলের তালে নৃত্য, লোকগানের সুর এবং ধর্মা-কর্মার কাহিনি—এসব শুধু একটি উৎসবের অংশ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু প্রজন্মের জীবন, বিশ্বাস, ইতিহাস ও সংস্কৃতির গল্প।
বৈচিত্র্যের মধ্যে কারাম পূজার ঐক্য
নওগাঁর বৃহৎ আয়োজন থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের পশ্চিম ঘনশ্যামপুর, পূর্ব ভোলাপাড়া, পূর্ব ঘনশ্যামপুর, বাকসা সুন্দরপুর, সিদলী ও ভাংবাড়ী পাড়ার মুন্ডা আদিবাসী পল্লি; দিনাজপুর, পঞ্চগড়, রংপুর, রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, খুলনা এবং সিলেটের চা-বাগানাঞ্চল—বিভিন্ন অঞ্চলের কারাম উৎসব বাংলাদেশের আদিবাসী সংস্কৃতির বৈচিত্র্যময় চিত্র তুলে ধরে।
অঞ্চলভেদে কারাম পূজার রীতি, ভাষা, গান, নৃত্য ও আচার-অনুষ্ঠানে পার্থক্য থাকলেও এর অন্তর্নিহিত বার্তা একই—প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা, মানুষের মঙ্গল, সামাজিক বন্ধন এবং পূর্বপুরুষের ঐতিহ্যকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রাখা।
কারাম পূজার মতো ঐতিহ্যবাহী উৎসবকে সংরক্ষণ করা মানে শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখা নয়; বরং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, সম্প্রীতি ও বহুত্ববাদী ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করা।
বেঁচে থাকুক কারাম পূজা।
বেঁচে থাকুক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি, বিশ্বাস ও ঐতিহ্য।
বৈচিত্র্যের এই সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও শক্তিশালী হয়ে সমৃদ্ধ করুক আমাদের বাংলাদেশ।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Leave a Reply