সংবাদ শিরোনাম:
জনগণের টাকায় দায়সারা কাজ! বেপারীটোলা গেন্দা বাজার সড়কে অনিয়মের অভিযোগ দোয়ারাবাজারে ইরারর বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনে ইউএনও অরূপ রতন সিংহ সুনামগঞ্জের ছাতক থানা পুলিশের অভি’যা’নে ওয়া’রেন্ট ভূ’ক্ত এক আ’সা’মী গ্রে’ফ’তার সুনামগঞ্জে ইয়াবা মাদক নির্মূল অভিযান ৩ জন আটক। বিরামপুরে এতিমখানা মাদ্রাসায় মরহুমা বেগম জেবুন্নেছার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু বিরামপুরে স্বর্ণের বার রহস্য: পুলিশের বিরুদ্ধে গোপনে অভিযোগ, ওসির ভূমিকা নিয়ে চাঞ্চল্য ‎বিশ্ব মা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চিন্তরঞ্জন পাহান চেয়ারম্যান স্ত্রী ও নবজাতক সন্তানকে নিয়ে উধাও: নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাতের অভিযোগ থানায় থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে কঠোর বার্তা দিলেন মন্ত্রী জাহিদ হোসেন
শিক্ষকতা ও সরকারি চাকুরির আড়ালে সাংবাদিকতা: বিরামপুরে শিক্ষা ও জনসেবা মুখ থুবড়েদ্বৈত পেশায় বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থা

শিক্ষকতা ও সরকারি চাকুরির আড়ালে সাংবাদিকতা: বিরামপুরে শিক্ষা ও জনসেবা মুখ থুবড়েদ্বৈত পেশায় বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থা

এমডি রেজওয়ান আলী বুরো প্রধান:
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় শিক্ষকতা ও অন্যান্য সরকারি চাকরির পাশাপাশি সাংবাদিকতা করার প্রবণতা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ,দায়িত্বশীল পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা যখন সমান্তরালে সাংবাদিকতায় সক্রিয় হয়ে পড়ছেন,তখন তাদের মূল দায়িত্ব পালনে দেখা দিচ্ছে চরম অবহেলা—যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিক্ষা ব্যবস্থা ও জনসেবায়। সাধারণ মানুষের ভাষ্যমতে,অনেক শিক্ষক ও চাকরিজীবী নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করে সাংবাদিকতার কাজে সময় ব্যয় করছেন। ফলে শিক্ষার্থীরা সময়োপযোগী ও মানসম্পন্ন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ক্লাসে উপস্থিতি কমে যাচ্ছে,পাঠদানের মান নিম্নমুখী হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হচ্ছে। সচেতন মহল মনে করছে, এভাবে চলতে থাকলে দেশ গড়ার মূল কারিগর হিসেবে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করা সম্ভব হবে না। একইভাবে,সরকারি চাকরিজীবীরা যখন জনসেবার পরিবর্তে সাংবাদিকতায় ব্যস্ত থাকেন, তখন সাধারণ মানুষ নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হন। বিভিন্ন দপ্তরে সেবা পেতে দেরি, হয়রানি এবং অভিযোগের সংখ্যা বাড়ছে যা জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী একজন শিক্ষক বা চাকরিজীবীর এভাবে সাংবাদিকতায় সক্রিয় অংশ গ্রহণে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা ও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবুও বিরামপুর উপজেলায় এ নিয়ম অমান্য করে অনেকেই দ্বৈত পেশায় জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার,শিক্ষা অফিসার ও পৌর কর্তৃপক্ষ বরাবর ইতিপূর্বে একাধিক অভিযোগ দাখিল করা হলেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এতে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন,আইন প্রয়োগে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। সচেতন নাগরিকরা বলছেন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান ধরে রাখতে শিক্ষকদের শতভাগ মনোনিবেশ অত্যন্ত জরুরি। একজন শিক্ষক যদি তার নির্ধারিত সময় শিক্ষার্থীদের পেছনে ব্যয় করেন,তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসা সম্ভব। এ প্রেক্ষাপটে এলাকার জনসাধারণ দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিশেষ করে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি তাদের আকুল আবেদন—সরকারি বিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করে শিক্ষক ও চাকরিজীবীদের মূল দায়িত্বে শতভাগ নিশ্চিত করা হোক এবং প্রয়োজনে এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। শিক্ষা ও জনসেবা—দুটি গুরুত্বপূর্ণ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সময়োপযোগী পদক্ষেপ না নিলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে। এখনই প্রয়োজন কার্যকর নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com