
✍️ প্রতিবেদন, এমডি রেজওয়ান আলী, বুরো প্রধান, দেশের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে নতুন মাত্রা যোগ করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মাননীয় মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি একের পর এক জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তার কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে দেশের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন। বিশেষ করে “ফ্যামিলি কার্ড” কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি সামাজিক সুরক্ষার একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এই কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে হাজার হাজার পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কোটি কোটি পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিবারভিত্তিক এই কার্ডের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার উদ্যোগকে বিশেষভাবে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়াও
দেশের স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নে তার কার্যকর উদ্যোগ ইতোমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন,দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। হৃদরোগসহ জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। এর ফলে ভবিষ্যতে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তার সক্রিয় ভূমিকা লক্ষণীয়। সম্প্রতি জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। উন্নয়ন,বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এদিকে দায়িত্বের পাশাপাশি নিজ নির্বাচনী এলাকা দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর, নবাবগঞ্জ,ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর) অঞ্চলেও তিনি নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন। ঈদসহ বিভিন্ন সময়ে এলাকায় গিয়ে সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ,রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান এবং স্থানীয় সমস্যাগুলো সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করে তিনি জননেতার পরিচয় তুলে ধরেছেন। সার্বিকভাবে বলা যায়, সামাজিক নিরাপত্তা,স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই তিনটি খাতকে সামনে রেখে মাননীয় মন্ত্রী ডা.এ জেড এম জাহিদ হোসেন দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তার এই ধারাবাহিক কার্যক্রম ভবিষ্যতে দেশের সার্বিক উন্নয়নকে আরও বেগবান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।জনবান্ধব নীতি,বাস্তবমুখী উদ্যোগ এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যেই জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন। উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Leave a Reply