সংবাদ শিরোনাম:
বিরামপুর রেলস্টেশনে ছাউনি রংয়ের কাজে প্রশ্ন,বিলের আগে সরেজমিন তদন্তের দাবি” বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ টি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ ফুলবাড়ীতে মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আব্দুল হামিদ শাহ্ ফুলবাড়ীতে নিরাপত্তাহীনতায় প্রবাসী ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা পরিবার, আদালতের আদেশ অমান্য করে পরিবারকে প্রাণ নাসের হুমকি জ্বালানি সংকটের কারণে ফুলবাড়ীর কয়লা উত্তোলন করতে চায় সরকার রহস্যজনক মৃত্যু,ধানক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার বিরামপুরে ময়লা ফেলা নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে বিরোধ,বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই নিহত ফুলবাড়ীর ছোট তিলাই নদীর ওপর ২ কোটি ৯৭ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি পরিদর্শন বোচাগঞ্জে সবজির বাজারে শীতের বার্তা, শিমের দাম চড়া এক মঞ্চে বিরামপুরের শিক্ষক সমাজ, বিশ্ব শিক্ষক দিবসে প্রাণের মিলন মেলা
বিরামপুর রেলস্টেশনে ছাউনি রংয়ের কাজে প্রশ্ন,বিলের আগে সরেজমিন তদন্তের দাবি”

বিরামপুর রেলস্টেশনে ছাউনি রংয়ের কাজে প্রশ্ন,বিলের আগে সরেজমিন তদন্তের দাবি”

এমডি রেজওয়ান আলী,বুরো প্রধান:দিনাজপুরের বিরামপুর রেলস্টেশনে ছাউনি নির্মাণ ও রং করার কাজে গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্টেশনের একটি অংশের ছাউনি দীর্ঘদিন ধরে না থাকায় সেখানে নতুন করে কাজ করা হলেও,পুরো কাজের বাস্তব চিত্র,ব্যবহৃত সামগ্রীর মান,কাজের পরিমাণ ও সরকারি বরাদ্দ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিরামপুর রেলস্টেশনের একটি আংশিক স্থানে চারদিকে থাকা ছাউনির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপরের ছাউনির কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাশাপাশি স্টেশনের ছাউনির নিচে থাকা রেলিংগুলোতেও রং করা হয়েছে। তবে এসব কাজে সরকারি বাজেট কত,কাজের পরিমাণ কী নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং কী ধরনের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কথা ছিল তা স্থানীয় ভাবে স্পষ্ট নয়। স্থানীয় জনসাধারণের দাবি,উন্নয়নকাজ করা হলেও কাজের গুণগত মান নিয়ে সন্তুষ্ট নন তারা। তাদের প্রশ্ন,যে ধরনের কাজের জন্য সরকারি অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে,বাস্তবে সেই মান ও পরিমাণ অনুযায়ী কাজ হয়েছে কি না,তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, রেলস্টেশনের রেলিংয়ে যে রং ব্যবহার করা হয়েছে,তার মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাদের দাবি,বাজারে তুলনা মূলক কম দামের রং ব্যবহার করা হয়ে থাকলে এবং সরকারি প্রাক্কলনে নির্ধারিত মানের সঙ্গে তার পার্থক্য থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। তবে এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কারিগরি পরীক্ষা ও নথিপত্র যাচাই জরুরি। স্থানীয়দের ভাষ্য,শুধু কাজ সম্পন্ন হয়েছে কি না তা দেখলেই হবে না; প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজের পরিমাণ, ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী,রঙের মান, কাজের পরিমাপ,ঠিকাদারি চুক্তির শর্ত এবং বাস্তব কাজের সঙ্গে বিলের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না এসব বিষয় পরীক্ষা করা দরকার। তাদের দাবি, ঠিকাদারের বিল পরিশোধের আগে সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষ ও প্রকৌশল বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা সরেজমিনে গিয়ে পুরো কাজ পরিদর্শন করলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে। একই সঙ্গে কাজের Measurement Book (MB),প্রাক্কলন,কার্যাদেশ,বিল ভাউচার ও ব্যবহৃত সামগ্রীর মান যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা। এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ,কাজের বাস্তব গুণগত মানের সঙ্গে যদি সরকারি প্রাক্কলন বা কার্যাদেশের কোনো অসঙ্গতি থেকে থাকে,তাহলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাদের মতে,সরকারি অর্থে পরিচালিত যেকোনো উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।এদিকে কাজটির ঠিকাদারের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে ঠিকাদারের বক্তব্য এ প্রতিবেদনের জন্য মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করার ফলেও কোন উত্তর পাওয়া সম্ভব হয়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি,অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত নিরপেক্ষ কারিগরি পরিদর্শন করা। বাস্তব কাজের পরিমাণ ও গুণগত মান যদি প্রাক্কলন ও কার্যাদেশের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়, তাহলে কাজটিতে কোনো অনিয়ম, ত্রুটি বা অসঙ্গতি রয়েছে কি না তা স্পষ্ট ভাবে জানা সম্ভব হবে। সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিরামপুর রেলস্টেশনের স্থানীয় যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com