সংবাদ শিরোনাম:
দোয়ারাবাজারে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ১৫ আগস্ট উপলক্ষে বিরামপুরে বিএনপির দোয়া ও আলোচনা সভার প্রস্তুতি সেলাই মেশিনে বদলে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের আদিবাসী নারী সিমা মিনজির জীবন মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ফেন্সিডিলসহ যুবক আটক বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ফুলবাড়ীতে জমি দখলের অভিযোগ, দায়ের করা মামলা এবং ইমরান চৌধুরী নিশাদ গংয়ের মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদ পৌর চেয়ারম্যান থেকে বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আদিবাসী পরিচয় নিয়ে বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ৮০ হাঁস থেকে ৭৫০ হাঁস পালনে ভাগ্য বদল হামিদ মিয়ার
মাদকের ছোবল ও মুক্তি

মাদকের ছোবল ও মুক্তি

মো: রফিকুল ইসলাম সরকার,
সম্পাদক, ঢাকামোড়২৪.কম
মাদকের ছোবলে আক্রান্ত যুব সমাজ আজ সমাজ ও পরিবারের কাছে এক যন্ত্রণাদায়ক গলার কাঁটার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। যখন কোনো পরিবার এই যন্ত্রণা আর সহ্য করতে পারে না, তখন অতিষ্ঠ হয়ে সন্তানকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় কিংবা জেলে পাঠায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এতে কি আসলেই কোনো লাভ হচ্ছে?

আমি বলতে চাইছি, মাদকাসক্তদের জেলে পাঠানো কোনো স্থায়ী সমাধান নয়; বরং তাদের প্রয়োজন শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসা এবং সঠিক পুনর্বাসন। আর এই পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলো সরকারি উদ্যোগে উপজেলা পর্যায়ে গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি, যারা মাদক কারবারের সাথে জড়িত, তাদের এই অন্ধকার পথ থেকে ফিরিয়ে এনে অন্য কোনো বৈধ পেশায় নিয়োজিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। প্রয়োজনে তাদের জন্যও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

বর্তমানে মাদকের বিরুদ্ধে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠতে দেখা যাচ্ছে, যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু এই আন্দোলন কতদিন ধরে রাখা যাবে? আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশ কতটা তৎপর আছে এবং আর কতদিন এই তৎপরতা বজায় থাকবে—তা নিয়ে ভাবার অবকাশ রয়েছে। কারণ, সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে বাঁচাতে পুলিশ, সিন্ডিকেট এবং রাজনৈতিক প্রভাবের মতো অনেক বড় বড় বিষয় জড়িত থাকে।

আরেকটি বড় চিন্তার জায়গা হলো আমাদের সীমান্ত। সীমান্ত পেরিয়ে অবাধে দেশে প্রবেশ করছে নানা রকম নেশাজাতীয় দ্রব্য। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) নিয়োজিত আছে সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে। কিন্তু প্রশ্ন জাগে—তারা কী রক্ষা করছে? কীভাবে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার চোখ ফাঁকি দিয়ে ঐ সীমান্ত পথেই নিয়মিত মাদকসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য বাংলাদেশে আসছে? সীমান্তে নিয়োজিত বাহিনী কতটা সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছে, তা নিয়ে জনসাধারণের মনে গভীর প্রশ্ন রয়েছে।

যাই হোক—একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সবার আগে দরকার একটি সুন্দর সমাজ। আর সুন্দর সমাজ গড়তে প্রয়োজন একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত যুব সমাজ। আসুন, দেশের যুব সমাজকে বাঁচাতে এবং মাদক দ্রব্য রুখে দিতে আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসি।-

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com